Journal
ভাঙা ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে
যা কিছু লিখছি, লিখেই উড়িয়ে দিচ্ছি হাওয়ায়
সমস্ত লেখাই তো আদপে তোমাকে লেখা চিঠি
আজকাল দিনভর কুয়াশা, আর কুয়াশাও যে
এত দুর্ভেদ্য হতে পারে। সমুদ্র থেকে জাহাজ ছিন্ন,
টেলিফোন থেকে সিগনাল।
কি করে যাই…কি করে জানাই তোমাকে
গোলাপি অলিন্দের হাল- হকিকৎ!
ধূসর গর্তে লেপটে আছে শীতকালীন সরীসৃপ বুক।
কবিতার খামে শুধু জোনাকির মত কিছু শব্দ ওড়াই
একদিন অনেক দূরে, যেখানে চোখের পাতার নীচে
বার্ধক্য লাগে না।
যেখানে শব্দের সমুদ্রে শব্দের উতলা স্রোত
শব্দের গাছে গাছে এসে বসে শব্দের পাখি
তোমার ভালো না লাগা লবণাক্ত দুপুরে,
যদি একা হাঁটতে হাঁটতে এসে দাঁড়াও
এই চিরহরিৎ প্রান্তরে।
তুমি ষোড়শী,
শব্দের সিঁড়ি দিয়ে নেমে
তোমার সামনে বসন্ত মুদ্রায় এসে দাঁড়াবে
তুমার চির একুশের কবি।



